শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
Title :
চকরিয়ায় ওয়াটার মার্চ ও নারী-পুরুষের মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে দূর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত পেকুয়ায় টিভিতে খেলা দেখা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মারপিট, আহত-১ নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪৭ কোটি টাতার উন্নয়প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি বাইশারীতে আসছেন বৃহস্পতিবার ফাইতং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন কোম্পানি আর নেই, শোকাহত মানুষের ঢল চরম দূর্ভোগে নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের লাখ লাখ যাত্রী,পার্বত্য মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা High class escort poland camcontacts – porno tube ungdoms kvinne søker menn দেশ সেরা প্রতিবন্ধী এ্যাওয়ার্ড পেলেন পেকুয়ার মো: হাসান রব্বানী Thai massasje oslo sentrum escort luleå | best nude massage stavanger eskorte
বিজ্ঞাপন

চকরিয়ায় পুলিশ ফাঁড়িতে সওদা করতে এসে গায়েবী মামলায়  দুধ বেপারি গ্রেপ্তার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২২
  • ১১২ Time View
স্টাফ রিপোর্টার:
চকরিয়ায় মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে  প্রতিদিনকারমত সওদা করতে গিয়ে গায়েবী মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন এক দুধ বেপারি। অন্যদিকে সৌদি আরব অস্থান করেও ওই একই মামলায় আসামী হয়েছেন এক প্রবাসী। বিষয়টি জানাজানি হলে তুলপাড় শুরু হয় এলাকায়। ২০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগি পরিবারগুলো। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নে। গায়েবী মামলার বাদী স্থানীয় আলী আহমদের ছেলে সাবেক সেনা সদস্য গিয়াসউদ্দিন। ১৬ অক্টোবর মামলাটি করেন তিনি।
বিএমচর ইউনিয়নের বাক্কার পাড়ার বাসিন্দা মো: পেঠানের ছেলে জয়নাল আবেদীন  অভিযোগে জানান, কৈয়ারবিল ইউপির খিলছাদেক গ্রামের বাসিন্দা সাবেক সেনা সদস্য গিয়াস উদ্দিন আমার চাচা সৈয়দ আহমদের কাছ থেকে ৭ কানি জমি ক্রয় করেন। ওই জমির মালিক আমরাও, তাই জমি নিয়ে মামলা করেছি আদালতে।  সাবেক সেনা সদস্য গিয়াস উদ্দিন প্রভাবশালী, তাই আমাদের পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে বিভিন্ন মিথ্যা ফৌজদারি মামলা দিয়ে  হয়রানি করে আসছে। জয়নাল আবেদীন আরও বলেন, গত ১০ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩ টায় আমি নিকটস্থ বেতুয়া বাজার স্টোর স্টেশনে জনৈক কাইসারের ফার্মাসীতে ঔষধ কিনতে যাই, দোকান থেকে বের হওয়ার সময় সাবেক সেনা সদস্য গিয়াস উদ্দিন ও  তার ছেলে শহীদুল ইসলাম জিহাদসহ লোকজন আমাকে আকস্মিক ঝাপড়ে ধরে শত শত লোকজনের সামনে আমাকে অমানবিক মারধর করে। নিকটে মাতামুহুরী  পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে দুধ বিক্রি করতে আমার বড়ভাই বশির  এগিয়ে এলে তাকেও প্রকাশ্যে প্রহার করে রাস্তায় টানা হেচড়া করে। ছিনিয়ে নেয়া হয় ৪৫ হাজার নগদ টাকা ও একটি মোবাইল। পরে প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন এগিয়ে এসে ঘটনা নিবৃত করে। ঘটনাস্থলের ১শ গজ অদুরে অবস্থিত মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক মিজানকে মৌখিকভাবে জানালে তিনি থানায় এজাহার দেয়ার পরামর্শ দেন। পরামর্শমতে হামলাকারিদের বিরুদ্ধে এজাহার রেকর্ড না করে ওসি চন্দন কুমার ফাড়ির পরদর্শক মিজানকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।
এদিকে হামলার শিকার দুধ বেপারি বশির প্রতিদিন ওই পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে দূধ বিক্রি করে আসছেন । গত ১৭ অক্টোবর সোমবার প্রতিদিনের ন্যায় তিনি দুধ বিক্রি করতে গেলে  তাকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায় ফাড়িঁর পরিদর্শক মিজান।  পরে জানাযায় দুধ বেপারি বশির সহ বেশ কয়কজনের বিরুদ্ধে দোকান লুটের অভিযোগে থানায় মামলা করে হামলাকারির প্রধান ও সাবেক সেনা সদস্য গিয়াসউদ্দিন। হামলা ও অমানবিক মারধরের শিকার বশির আহমদ উল্টো হামলাকারির গায়েবী মামলায় গ্রেফতার হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লোকমহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
এ ব্যাপারে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বেতুয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সিরাজুল মোস্তফা সেলিম  জানান, জনৈক সাবেক সেনা সদস্য গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নিকটে বশির এবং তার ভাই জয়নালকে প্রকাশ্যে অমানবিক প্রহার করে, যা শত শত লোক সাক্ষী, পরে জেনেছি হামলাকারিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি, উল্টো নির্যাতিত দূ’সহোদর বশির ও জয়নালসহ আরও কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সিরাজুল মোস্তফা সেলিম আরও বলেন, বিষয়টি উদ্বেগের, এর বিহীত ব্যবস্থা হওয়া দরকার। অপর দিকে একই গ্রামের মো: মোহছেন আলী বলেন, তার ছোট ভাই শহীদুল মোস্তফা ঘটনার দিন ১০ অক্টোবর ছিল সৌদী আরবের জ্বেদ্দায়। কিন্তু সেও গায়েবী মামলার আসামী। কৈয়ারবিল ইউপির খিলছাদকের বাসিন্দা কবির আহমদের ছেলে রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, ঘটনা কোথায়, কি হয়েছে সেটিও জানিনা, কিন্তু আমরা দুই ভাই আসামী। গায়েবী মামলার বাদী গিয়াস উদ্দিনের কাছ থেকে কোন ঘটনা ছাড়া মামলা কি ভাবে হলো জানতে চাইলে তিনি দাবী করেন,  দোকানে বশির ও জয়নালরা আমার দোকানে হামলা ও লুটপাট করেছে, তাই পুলিশ মামলা নিয়েছে, তার নেতৃত্বে হামলার ঘটনা তিনি অস্বীকার করেন।
মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মিজানের  কাছ থেকে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনা তদন্তাধীন, আমি বক্তব্য দিতে পারবো না। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ চন্দন কুমারের কাছ থেকে গায়েবী মামলার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি গুরুত্বের সাথে দেখছি, গায়েবী হয়ে থাকলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com